সকল মেনু

চির নিন্দ্রায় বিএনপির প্রবীণ নেতা আব্দুস সামাদ মাষ্টার

রাজশাহীর বাঘা হযরত আব্দুল হামিদ দানিশ মন্দ (রহঃ) ফাজিল মাদ্রাসার ইংরেজী বিষয়ের অবসরপ্রাাপ্ত শিক্ষক ও বাঘা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ ওরফে সামাদ মাষ্টার(৭২) এর জানাযার নামাজ শেষে বাঘা কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার(৮ জুলাই) বাদ জুম্মা তার কর্মস্থলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহসপতিবার (৭ জুলাই) দিবাগত ভোর সাড়ে ৪টায় উচ্চ রক্তচাপ ও বহুমুত্র রোগ জনিত কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জানায়ার নামাজের আগে শোক সন্প্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে মরহুমের স্নৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন-জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাদ,সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা সহকারি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন,নুরুজ্জামান খান মানিক, সাইফুল ইসলাম, আশরাফ আলী মলিন,বাবুল ইসলাম, তফিকুল ইসলাম তফি, অধ্যক্ষ আব্দুর রব,গোরস্থান কমিটির সাবেক সেক্রেটারি সাংবাদিক আব্দুল লতিফ মিঞা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন খান, শিক্ষক হাফিজুর রহমান প্রমুখ। বৈরি আবহাওয়া উপক্ষো করে জানাযার নামাজে আগত মুসল্লীদের প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন মরুহমের সহোদর ভাই শিক্ষক আব্দুল হামিদ,মেঝ ছেলে কামরুজ্জামান সেন্টু।

প্রভাষক আব্দুল হানিফের সঞ্চালনায় জানাযার নামাজে ইমামতি করেন মরহুমের সহোদর ভাই মোহাম্মদ আলী। উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির নেতা গোলাম মোস্তফা মামুন, গোরস্থান কমিটির সভাপতি খন্দকার মনোয়ারুল ইসলাম মামুন, মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর মিঞা,উপজেলা বিএনপির নেতা মুখলেছুর রহমান,আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউনিয়ন বিএনপির নেতা এ্যাড. ফিরোজ আহমেদ রঞ্জুসহ রাজনৈতিক,সামাজিক সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ ,শিক্ষক শিক্ষার্থী ও এলাকার শ্রেনী পেশার মানুষ।

আব্দুস সামাদ মাষ্টার- বাঘা পৌরসভার উত্তর মিলিক বাঘা গ্রামের মরহুম আনসার-রোকেয়া দম্পতির চার ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্য আব্দুস সামাদ বড় ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,৩ছেলে ও ১ মেয়ে সহ বহু গ্রনগ্রাহি রেখে গেছেন।

১৯৭৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন এবং ২০১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর কর্মস্থল থেকে অবসর গ্রহন করেন। মরহুমের জীবদ্দশায় রাজনৈতিক,সামাজিক কর্মকান্ডে সকলের ভালোবাসার প্রিয় মানুষ হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালিন সময়ে অবিভক্ত চারঘাট থানার সদস্য ও বাঘা থানা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাঘা গোরস্থানের সহ ভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top