অভিনেতা অপূর্বর ভারতে না যেতে পারার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সংবাদপত্র ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জুলাই মাসের পর থেকে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের বদল ঘটেছে। যদিও দুই দেশের শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অবাধ বিচরণ এখনও অব্যাহত। যদিও বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর ভারতে চঞ্চল চৌধুরীর ‘পদাতিক’ মুক্তি পেয়েছিল। সেই সময়ও নিজের সিনেমার মুক্তিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি চঞ্চল। এবার অপূর্বর ক্ষেত্রে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।
সূত্রের খবর, প্রায়শই নাকি হুমকি মিলছে ঢাকার তারকাদের। সেই কারণে সব ঠিক ঠাক থাকা সত্ত্বেও নিজের প্রথম সিনেমার প্রিমিয়ারে থাকতে পারলেন না অপূর্ব।
দিন কয়েক আগেই একটি সিরিজের শুটিং করতে গিয়ে আহত হন অপূর্ব। হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয় তাকে। কিন্তু ছয় দিন আগে নিজের সমাজমাধ্যমে অভিনেতা জানিয়েছেন তিনি সুস্থ আছেন। অপূর্ব ছাড়াও বাংলাদেশে অভিনেত্রী পরীমণির একটি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার কথা হচ্ছে ওপার বাংলায়। সিনেমার শুটিং শেষ, মুক্তির সময় পরীমণিও কি আসতে পারবেন ভারতে! সেই নিয়ে আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে।
অথচ সিনেমাটি প্রসঙ্গে অপূর্ব বলেন, ‘এটি করতে রাজি হয়েছিলাম গল্পে মুগ্ধ হয়ে। ভিন্ন ধাঁচের এ গল্পটা এত চমৎকার যে, লোভ সামলাতে পারিনি। শুধু গল্পই নয়, চরিত্রটাও বেশ ইন্টারেস্টিং, যেটা আরও বেশি টেনেছে আমাকে। দারুণ টিমের সঙ্গে কাজ হয়েছে। এ ধরনের একটি বড় কাজে যুক্ত হতে পেরে খুব খুশি। যেন দর্শকের মন জয় করতে পারি সর্বোচ্চভাবে সে চেষ্টা করেছি। আজ মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। প্রত্যাশা অনেক এটি নিয়ে। ওটিটির কল্যাণে কলকাতার দর্শক এখন আমার সব কাজ দেখেন, তাদের ভালোবাসা ও ভালো লাগার কথাও জানান। আশা করি, সিনেমাটিও তারা গ্রহণ করবেন।’
তবে ভিসা পাওয়া ও ভারতের যাওয়ার বিষয়ে জিয়াউল ফারুক অপূর্বর ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।