নাটোরের লালপুরে অবস্থিত ঈশ্বরদী বাইপাস রেলওয়ে স্টেশনে ছাউনির অভাবে যাত্রীসেবার চরম সীমাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সকালেই হালকা বৃষ্টিতে স্টেশনে আশ্রয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শত শত যাত্রী ভিজে দুর্ভোগে পড়েন। এমন দুর্ভোগ শুধু আজকের ঘটনা নয়, বর্ষার মৌসুমে এটি নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন আপ-ডাউন মিলিয়ে ১৪ থেকে ১৬টি ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন এই স্টেশন দিয়ে। তবে যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত ছাউনিটি অত্যন্ত ছোট হওয়ায় অল্পসংখ্যক যাত্রী সেখানে আশ্রয় নিতে পারলেও, অধিকাংশ যাত্রীকে খোলা আকাশের নিচে রোদে-পুড়ে বা বৃষ্টিতে ভিজে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
বিশেষ করে বৃষ্টির সময় ট্রেন আসা-যাওয়ার সময় যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে ভিজে উঠানামা করতে হয়, এতে শিশু, নারী ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, রেল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও নজরদারির অভাবেই এই দুরবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা অবিলম্বে স্টেশনে বড় আকারে ছাউনি নির্মাণসহ যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে স্টেশন মাস্টার পাভেল আলী বলেন, “ছাউনির সংকটসহ যাত্রীসেবার বিভিন্ন সমস্যার কথা আমরা একাধিকবার আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
বিষয়টি জানতে চাইলে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক আহম্মদ হোসেন মাসুম বলেন, “আমাদের বিষয়টি জানা আছে। আমরা অচিরেই এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, ঈশ্বরদী বাইপাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের এমন অব্যবস্থাপনা রেলসেবার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে যাত্রী দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।