সকল মেনু

৭ ক্রিকেটীয় কিংবদন্তিকে আইসিসির বিশেষ সম্মাননা

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের বাকি আর মাত্র দুই দিন। এর আগে ৭ ক্রিকেটীয় কিংবদন্তিকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এ তালিকায় নারী ক্রিকেটারও রয়েছেন।

হল অব ফেমে জায়গা পাওয়া ক্রিকেটাররা হলেন- মহেন্দ্র সিং ধোনি, ম্যাথু হেইডেন, ড্যানিয়েল ভেটোরি, হাশিম আমলা, গ্রায়েম স্মিথ, সারা টেইলর এবং সানা মীর।

এদের মধ্যে সানা মীর আলাদা করে ইতিহাস গড়েছেন। পাকিস্তানের প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসি হল অব ফেমে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ২০০৫ সালে অভিষেকের পর পাকিস্তানের হয়ে ১২০টি নারী ওয়ানডেতে এবং ১০৬টি নারী টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। এরমাঝে ৭২টি ওয়ানডে এবং ৬৫টি টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব করেছেন।

২০১০ ও ২০১৪ সালে এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের স্বর্ণপদক জয়ে অধিনায়ক ছিলেন। নিয়েছেন ১৫১ উইকেট। ২০১৮ সালে ওয়ানডে বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানেও ছিলেন সানা মীর।

ভারতের সাবেক অধিনায়ক ধোনি ২০০৭ সালে পুরুষদের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক। ২০১১ সালে পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এনে দেন ভারতকে। দুই বছর পর, ২০১৩ সালে তিনি নেতৃত্ব দেন ভারতকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের বেলায়। তিনি একমাত্র অধিনায়ক যিনি আইসিসির সব তিনটি সাদা বলের ট্রফি জিতেছেন। তার অধীনে ভারত টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষেও উঠেছিল।

হেইডেন ছিলেন সময়ের অন্যতম ভয়ঙ্কর ওপেনার। অস্ট্রেলিয়ান এই ওপেনার তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিং প্রতিপক্ষ বোলারদের পরীক্ষা নিয়েছেন বারবার। ২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে তিনটি সেঞ্চুরি ছিল তার। ২০০৩ বিশ্বকাপ জয়ী দলেরও সদস্য ছিলেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এবারের হল অব ফেমে এসেছেন হাশিম আমলা এবং গ্রায়েম স্মিথ। প্রথম প্রোটিয়া ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছিলেন আমলা। সব ফরম্যাট মিলিয়ে তিনি ৫৫টির বেশি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি করেন। গ্রায়েম স্মিথ বিশ্বরেকর্ড ১০৯টি টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার নেতৃত্ব দেন, যার মধ্যে ৫৩টি জয় পেয়েছেন। তিনি একমাত্র খেলোয়াড় যিনি ১০০টিরও বেশি টেস্টে অধিনায়কত্ব করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১৫০টি ওয়ানডেতেও অধিনায়ক ছিলেন গ্রায়েম স্মিথ, যা তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ভেট্টোরি টেস্টে ৪০০০ রান এবং ৩০০ উইকেট নেয়া তিনজন ক্রিকেটারের একজন। তিনি নিউজিল্যান্ডকে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে রানার্স-আপ করেন।

সারাহ টেইলর ছিলেন ইংল্যান্ড নারী দলের ২০০৯ সালের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নেপথ্য নায়িকা। তিনি ২০১৭ সালে ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে ৪৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। অসাধারণ উইকেটকিপিংয়ের জন্য খ্যাত টেইলর সব ফরম্যাটে মিলিয়ে ২৩২টি ডিসমিসাল করেন।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top