সকল মেনু

ঈশ্বরদীতে জোরপূর্বক জমি দখল, থানায় অভিযোগ

ঈশ্বরদীর মুলাডুলিতে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের নিকড়হাটা গ্রামের রেলক্রসিং এলাকায়। ওই এলাকার মো. নইমুদ্দিন এর ছেলে মো. সিদ্দিক এর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন একই গ্রামের মৃত ইউনুছ আলী মোল্লার ছেলে মো. কমেদ মোল্লা।
জানা যায়, মো. সিদ্দিক ৫ কাঠা জমি ক্রয় করেন মো. কমেদ মোল্লার নিকট থেকে। কিন্তু ৫ কাঠা জমি ক্রয় করলেও জোড় পূর্বক ভোগদখল নিয়েছেন ৭ কাঠা জমি। এর আগে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে জমির সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও মো. সিদ্দিক আওয়ামী প্রভাব খাঠিয়ে তার নিজ ক্রয়কৃত ৫ কাঠা জমির সাথে সাথে অতিরিক্ত ২ কাঠা জমিও দখলে নিয়েছে এবং দোকান ঘর নির্মাণ করেছে।
সম্প্রতি মো. সিদ্দিকের নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি দল জমিতে গিয়ে জোড়পূর্বক ইটের প্রাচীর দিতে গেলে বাঁধা দেয় জমির মূল মালিক মো. কমেদ মোল্লা। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও কথা কাটাটি হয় এবং উভয় পক্ষ আহত হোন।
জমির মূল মালিক কমেদ মোল্লা বলেন, নিকরহাটা মেীজায় আরএস খতিয়ান নং-৫০, দাগ নং-১৩০ এ আমার মোট জমি ৬২ শতাংশ। এর মধ্য হতে সর্বপ্রথম ৪ কাটা মো. কুদ্দুস এর কাছে বিক্রি করি । এরপর জমির পশ্চিম দিক থেকে উত্তর দক্ষিণ লম্বা ৬ কাঠা জমি কামাল মোল্লার কাছে বিক্রি করি। এই ছয় কাঠা বিক্রির পর মো. কুদ্দুস এর জমির দিক থেকে মো. সিদ্দিক এর কাছে ৫ কাঠা বিক্রি করি। এবং পরবর্তীতে আমার ভাতিজা সোহেল এর কাঠে ৫ শতাংশ বিক্রি করি। কিন্তু মো. সিদ্দিক জোড়পূর্বক ভাবে ২ কাঠা জমি দখলে নিয়ে দোকান নির্মাণ করেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. সিদ্দিক বলেন, ক্রয়সূত্রে ওই জমির মালিক আমি। আমার জমি  ৫ কাঠার একসুতও বেশি ব্যবহার করিনা। আমার জমিতে ঘর করা আছে। তবে ২ কাঠা জমি বেশি দখলের অভিযোগ সত্য নয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. কমেদ মোল্লা জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জায়গা দখলমুক্ত করে দেওয়ার জন্য ঈশ্বরদী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার  এসআই সেলিম রেজা জানান, ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top