সকল মেনু

মানসম্মত নীতিমালায় স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ায় রাবিতে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশংসিত কর্তৃপক্ষ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানসম্মত নীতিমালায় স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ায় রাবিতে শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে। এতে প্রশংসায় ভাসছে রাবি কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে রাবির জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘মনোবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডে অনিয়মের অভিযোগ এনে ২৪ আগস্ট রবিবার সন্ধ্যায় উপাচার্য ভবনের সামনের রাস্তায় কয়েকজন সম্মানিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করেন। এই প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হচ্ছে, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চমান বজায় রাখার জন্য একটি মানসম্মত নীতিমালা ও বর্তমান বাস্তবতায় উপযোগী প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগও সম্পন্ন হয়েছে এবং এ নিয়োগ বিভিন্ন মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এ সময় মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার নির্বাচনী বোর্ড চলাকালে অনিয়মের অভিযোগ এনে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবিতে বিক্ষোভ ও বিভিন্ন মন্তব্য একান্তভাবে দুঃখজনক ও বিভ্রান্তিকর।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ায় লিখিত পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপিত পদের কমবেশি ৩ গুণ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে নির্বাচনী বোর্ড কর্তৃক সুপারিশকৃত প্রার্থীদের সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদনের পর নিয়োগ প্রদান করা হয়।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘নীতিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম থেকে সপ্তম স্থান অধিকারীদের পরীক্ষায় উপস্থিতির জন্য প্রবেশপত্র প্রদান করা হয়। বুয়েটসহ দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার রেজাল্টে মেধাক্রমের বিষয়টি উল্লেখ না থাকায় প্রাথমিক পর্যায়ে প্রার্থীদের মেধাক্রমের প্রমাণপত্র না থাকলেও পরীক্ষার প্রবেশপত্রে স্পষ্টভাবে শর্ত উল্লেখ করে প্রাসঙ্গিক প্রমাণপত্র আনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।’

রাবির জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানান, ‘এরকম পরিস্থিতিতে বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটির নোটে উল্লেখিত মনোবিজ্ঞান বিভাগের একজন প্রার্থীকে অন্যদের মতো সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি মেধাক্রম সংক্রান্ত দালিলিক কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় তার প্রার্থীতা বিবেচিত হয়নি। অভিযোগে উল্লেখিত আরেকজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে বিভাগের প্ল্যানিং কমিটি মেধাক্রমের কোনো তথ্য উল্লেখ করেনি; বরং তার আবেদন সুপারিশকৃত হিসেবে প্রেরণ করে। নির্বাচনী বোর্ডে যাচাই-বাছাইয়ে উক্ত প্রার্থীও মেধাক্রমের দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। সঙ্গত কারণে তার প্রার্থীতাও বিবেচিত হয়নি।’

তিনি জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অতীতে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বর্তমানে স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ শিক্ষক নিয়োগে একটি মানের দৃষ্টান্ত স্থাপনের চেষ্টা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ একটি চলমান প্রক্রিয়া। শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মেধা ও মননশীলতার বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীরা নিয়োগ পাবে এটা একান্তভাবে প্রত্যাশিত।’ শিক্ষক নিয়োগের প্রচলিত কার্যক্রমসহ ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে রাবি কর্তৃপক্ষ।
ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top