জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগের জোটের শরিক ১৪ দলকে নিষিদ্ধ ও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবিতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মো. মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, পিআর আদায় করেই আমরা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যাব ইনশাআল্লাহ।
জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরী শাখা এ কর্মসূচি আয়োজন করে। মিছিলের পূর্বে জিরো পয়েন্ট বড় মসজিদের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দলটির রাজশাহী মহানগরীর আমির ড. মাওলানা কেরামত আলী। প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মো. মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। এ সময় জামায়াতের রাজশাহী জেলা আমির অধ্যাপক মো. আব্দুল খালেক, মহানগরীর নায়েবে আমির প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মো. মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, পিআর পদ্ধতির মধ্য আর কোনো ফ্যাসিস্ট যাতে বাংলাদেশে না আসতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। আগে বিচার, তারপর জুলাই সনদ, তারপর জুলাই সনদের আইনী ভিত্তি। এ আইনী ভিত্তি নির্বাচনের আগে দিতে হবে। দেশের মানুষ ফায়সালা দেবে, ২০ কোটি মানুষকে জিজ্ঞেস করেন। তারা বলছে, সব দল দেখা শেষ, জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশ। কারণ, জামায়াতে ইসলামী পরিবর্তনের রাজনীতি করে। আগামী দিনে ৫ দফা আদায় করেই আমরা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যাব ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, কোনো ফ্যাসিস্ট যাতে তৈরি হতে না পারে, সেজন্য পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে। ফ্যাসিস্টদের দোসরদের নিষিদ্ধ করতে হবে, এটা কি অন্যায় দাবি? জুলাই সনদ কার্যকর নির্বাচনের আগেই করতে হবে।
নগরীর জিরো পয়েন্ট গণকপাড়া, মনিচত্বর, আলুপট্টি, কুমারপাড়াসহ কয়েক কিলোমিটার এরিয়াজুড়ে প্রায় ১৫ হাজার জামায়াত নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন। কয়েক হাজার ছাত্রশিবির নেতাকর্মীও ছিলেন সমাবেশ ও মিছিলে। সমাবেশ ১৪ দলকে নিষিদ্ধ ও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ কেন্দ্র ঘোষিত ৫ দফা দাবিতে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ শেষে গণকপাড়া মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।