জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানের ১৯ জন শিক্ষক ও ২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব জমা দিতে হবে।
গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তিনটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করে। এসব কমিটি ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা, একাডেমিক অনিয়ম এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান চালায়। তদন্ত শেষে দেওয়া প্রতিবেদনে ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আংশিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের শোকজ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান বলেন, ‘যেসব অভিযোগের সঙ্গে প্রাথমিক তথ্য–প্রমাণ মিলেছে, কেবল তাঁদেরই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং শোকজের জবাব পাওয়ার পর প্রশাসন পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।’ তবে তিনি অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।
এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম হয়েছে। শিক্ষকরা মনে করছেন, ন্যায়সঙ্গত তদন্ত ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষা সম্ভব নয়। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা বলছে, এই প্রক্রিয়ায় যদি সঠিকভাবে দায়ীদের চিহ্নিত করা যায়, তাহলে ক্যাম্পাসে অনিয়ম কমে আসবে।।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।