সকল মেনু

ইউএনওর হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ

ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চলছিল ১৪ বছরের কিশোরী হাসনাহেনার বিয়ের প্রস্তুতি। আত্মীয়-স্বজনরাও উপস্থিত মেয়ের বাড়িতে। অনেকটা গোপনীয়তা রক্ষা করেই চলতে থাকে সকল আয়োজন। কিন্তু এরই মধ্যে বাল্যবিবাহের খবর পৌঁছে যায় প্রশাসনের কানে। বিয়ের অনুষ্ঠানে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে হাজির হন ইউএনও রুবেল রানা।

এ সময়ে ইউএনও উপস্থিতি টের পেয়েই কনের বাবা, মা,সহ উপস্থিত সকল আত্মীয়-স্বজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। রবিবার (২৬ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে বাল্যবিবাহের এমন আয়োজন চলছিল তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ার কুঠি ইউনিয়নের খারুভাস গ্রামে আব্দুল হালিম এর মেয়ে হাসনাহেনা (১৪) কে নিয়ে। তারপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল রানা এলাকার ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে কনের বাবা আব্দুল হালিমকে ডেকে নিয়ে আসে। কনের বাবা আব্দুল হালিম বাল্যবিবাহের কথা স্বীকার করে।

বাল্যবিবাহের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় মেয়ের বাবাকে বাল্যবিবাহ নিধন আইন ২০১৭ এর আওতায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুবেল রানা এবং উপস্থিত সকলের সামনে মেয়ের বাবা আব্দুল হালিম ১৮ বছর সম্পূর্ণ না হওয়ার আগে মেয়েকে বিয়ে দিবে না এ মর্মে মুছলেকা প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল রানা মুঠোফোনে জানায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে বাল্যবিবাহের খবর জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেই। মেয়ের বাবাকে এ ধরনের অপরাধ সংগঠিত করার জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল রানা আরো জানান বাল্যবিবাহ সমাজের একটি অভিশাপ এ থেকে রক্ষা পেতে হলে সফলকে সচেতন হতে হবে। আমি শীঘ্রই উপজেলা সকল কাজীদের ডেকে বাল্যবিবাহ রেজিস্টার না করার জন্য সতর্ক করব।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top