দেশের দ্বিতীয় মিঠা পানির জলাভূমি, বিশ্ব ঐতিহ্য সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার আংশিক নিয়ে গঠিত গাছ, মাছ ও পরিযায়ী পাখিদের অভয়ারণ্য খ্যাত টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে, সুনামগঞ্জ জেলা ও তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের ৬টি নীতিমালা মানতে হবে। অন্যথায় পর্যটক/নৌকা/হাউজবোট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।
৬টি নীতিমালা হচ্ছে, ১। হাওরের সংরক্ষিত এলাকায় কোনও ধরনের নৌযান নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না, ২। উচ্চ শব্দে গান-বাজনা, করা ও শুনা যাবে না, ৩। ডিটারজেন্ট/শ্যাম্পু ও রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে না, ৪। মাছ ধরা/ শিকার ও পাখির ডিম সংগ্রহ করা যাবে না, পাখিদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে কোনও ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না, ৫। গাছ কাটা, ডাল ভাঙ্গা ও বনজ সম্পদ সংগ্রহ করা যাবে না, ৬। হাওরের পানিতে, অজৈব, প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য এবং বর্জ্য ফেলা যাবে না।
এছাড়াও ভ্রমণকারীদের জন্য আরও কিছু নির্দেশনা দিয়েছে, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন। তা হচ্ছে, জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত নৌপথ ব্যবহার করা, ভ্রমণকারীদের লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করা, প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকা, দুর থেকে পাখি ও প্রাণী পর্যবেক্ষণ করা ও অতিরিক্ত আলো ব্যবহার না করে ছবি তোলা, স্থানীয় গাইড ও পরিসেবা গ্রহণ করা, ক্যাম্প ফায়ার ও আগুন জ্বালানো থেকে বিরত থাকা।
আজ (২৯জুন):রবিবার রাত সাড়ে দশটায় তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসেম জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসক মহোদয় ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার দিক নির্দেশনায়, বিশ্ব ঐতিহ্য টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষায় টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণকারীদের জন্য এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করি এমন নির্দেশনায়, টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র রক্ষায় অগ্রণ প্ল্লি লল পালন করবে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।