বই পড়লে প্রশ্ন করার প্রবণতা তৈরি হয়। বই পড়ুয়া প্রতিটি মানুষটি ক্রিয়েটিভ হয়। যে বই পড়ে তার আয়ের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। আমেরিকায় গবেষকরা গবেষণা করে দেখেছেন, যে বাড়িতে দুই শতাধিক বই আছে, সে বাড়ির শিশুরা কর্মক্ষম হলে, ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি আয় করে। বই পড়লে ভালো চাকুরি পাবে, আচরণের পরিবর্তন হবে। এসব উদ্দেশ্য সাধনের জন্যই বই কিনবেন, বই পড়বেন। বই পড়ে নিজে সমৃদ্ধ হবেন, আপনাদের শিশুদের সেই পথে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবেন। বই পড়লে সু-নাগরিক হওয়া যায়, এ উদ্দেশ্য সাধনের জন্যই সারা পৃথিবীতে বই মেলা হয়।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির উদ্যোগে লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে পাঁচ দিনব্যাপী বই মেলার উদ্বোধনকালে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সভাপতি ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া এসব কথা বলেছেন।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী, সাংবাদিক খলিল রহমানের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পাল। অনুষ্ঠানে লেখক ও আইনজীবী হোসেন তৌফিক চৌধুরী, লাইব্রেরির সহসভাপতি কবি সুখেন্দু সেন, কবি মুনমুন চৌধুরী, কবি কুহিনুর বেগম, স্পেশাল পিপি শামীম আহমদ এবং সমাজকর্মী দিলারা বেগমসহ কবি, লেখক ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই বই মেলা ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বিকেল তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত মেলা চলবে। বই মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত শিক্ষার্থীদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আগামীকাল শনিবার পাবলিক লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে হবে, কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, রোববার কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, সোমবার সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা এবং মঙ্গলবার লেখক, পাঠক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
বইমেলায় অংশগ্রহণকারী স্টলগুলো হচ্ছে- প্রথমা, পাঞ্জেরি, চৈতন্য, নাগরি, দ্যু প্রকাশনী ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।