সকল মেনু

দুর্গাপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন এডভোকেসি সভা

“শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত “টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন এডভোকেসি সভা”-তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইউএনও সাবরিনা শারমিন বলেন, “টাইফয়েড একটি প্রাণঘাতী রোগ। সরকারের এই উদ্যোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রত্যেক অভিভাবক যেন তাদের সন্তানদের টিকা দিতে আগ্রহী হন—এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন করতে হবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুহুল আমিন। আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায়, অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইউসুফ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আঈশা নুসরাত জাহান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দুলাল আলম, শিক্ষা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, আইসিটি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, ও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।

সভায় জানানো হয়, সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) অংশ হিসেবে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে এক মাসব্যাপী সারাদেশে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে। দুর্গাপুর উপজেলায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সকল শিশু ও প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে এক ডোজ টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে।

ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন থাকা শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে। যাদের জন্মনিবন্ধন নেই, তারা বিদ্যালয় বা টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় টিকা নিতে পারবেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ২০১৭ সাল থেকে দেশে টাইফয়েড টিকা ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এটি সাধারণ ইপিআই টিকার মতোই নিরাপদ। এ টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বলে উল্লেখ করা হয়। দুর্গাপুর উপজেলায় মোট ৪৫ হাজার ২২৯ জন শিশুকে এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, “টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকা অত্যন্ত কার্যকর। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।”

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top