ঈদের পরে ফিরছে মানুষ—ঢাকার দিকে ছুটে,
হাতের বেলা গড়িয়ে গেল—আশা কেবল রুটে।
চোখে ক্লান্তি, মুখে গরম, শিশুরা কাঁদে বুকে,
বাসের আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটে শূন্য সুখে।
হঠাৎ আশার ঝলক উঠে নাটোর বাস টার্মিনালে,
মানবিক চোখে তাকালেন—পুলিশের এক সজল নালে।
মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, পুলিশ সুপার নাম,
ভুলে গেলেন পদ-পদবি, নিলেন মানবতার কাম।
দুইটি পুলিশের বাস পাঠালেন—ঢাকার পথে ছুটে,
শতাধিক শ্রমজীবীর মুখে হাসি, জল গেল শুকে।
শুধু যান না, পানিও দিলেন ঠান্ডা বোতলে ভরে,
এই গরমে, সেই পানিই যেন পরম শান্তির ঘরে।
বললেন তিনি স্পষ্ট করে—”এরা আমার ভাই-বোন,
সাহায্য করা দায়িত্ব নয়, ভালোবাসারই স্তবন।
পুলিশ মানে ভয় নয় আর, পুলিশ হবে বন্ধু,
সহানুভূতির ছায়াতলে পাবো জীবনসুন্দর রন্ধু।”
এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসে সামাজিক মাধ্যম,
প্রশংসার ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে—অন্তর হতে আগম।
মানুষ খোঁজে এমন অফিসার, হৃদয়ে যাঁর রঙ,
প্রশাসনের মাঝে থাকুক এমন মানবিক ঢং।
এই ছবি হোক দেশের ছবি, হোক আস্থার ঠিকানা,
মানবিক পুলিশ-প্রতীক হয়ে থাকুক জনতার মানা।
আসুক এমন আরো গল্প, ছড়িয়ে যাক বিস্তার,
নাটোর থেকে ছড়িয়ে পড়ুক দেশের চারিধার।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।