সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঈদুল আজহা উদযাপন করেছে ১০ জন মুসলিম। শুক্রবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলার কৃষ্ণপুরে এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করেন তারা। নামাজে ইমামতি করেন চারঘাট উপজেলার ডাকরা এলাকার ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন। নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিত ছিল মোট ১০ জন । পুরুষ মুসলি ৮জন এবং মহিলা ২ জন।
ঈদের নামাজ আদায় করা ব্যক্তিরা বলেন, আমরা প্রতি বছরে এখানে ঈদ জামাতে আদায় করি। আমি পূর্বে দেশের প্রচলিত নিয়মের ঈদের জামাত আদায় করতাম । তবে এখন সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদের সালাত আদায় করতে পেরে আমরা অনেক খুশি।
ঈদের নামাজ শেষে রহিম গাজী নামে এক ব্যক্তি বলেন, মানুষ মনে করে সৌদি আরবে ঈদ হচ্ছে তাই আমাদের এই স্থানে ঈদ হচ্ছে আসলে ব্যাপারটা তা না। চাঁদ শুধু বাংলাদেশ বা সৌদি আরবের জন্য উঠেনা। চাঁদ উঠে সারা পৃথিবীর জন্য। যেদিন চাঁদ উঠে সেদিন থেকেই রমজান মাস শুরু হয়। পৃথিবীর পরিসীমা যেহেতু অনেক বড় তাই বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা চাঁদ দেখতে পাই না। সেটা আমাদের ব্যর্থতা।
তিনি আরও বলেন, সৌদি আরব পৃথিবীর মূল কেন্দ্র সে কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করা হয় একথা বলা হয়। আমরা ঈদ পালন করে আসছি ৮ থেকে ১০ বছর যাবত। আগে মুসলি কম থাকায় আমরা নিজ বাড়িতেই নামাজ আদায় করতাম বর্তমানে সংখ্যা বেশি হওয়ায় তিন-চার বছর থেকে কৃষ্ণপুর মুসলিম মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়।
তবে বিষয়টিকে বিভ্রান্ত আকিদা বলে মনে করছেন মূলধারার আলেমরা। তারা বলেন, এটা মোটেও সঠিক নয়। একদিন আগে এভাবে নামাজ আদায়ের কোনো সহিহ ভিত্তি নেই। এতে মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে। সংশোধন হয়ে আগামীতে এভাবে সৌদির সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করা থেকে বিরত থাকার আহবানও জানান আলেমরা।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।