মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) চার শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে প্রশাসন। তবে বহিষ্কারের পরও সেমিস্টার ফাইনালে বসেছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল খান।
জানা গেছে, গত ৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় ২৪ হল থেকে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে হল প্রভোস্ট ড. মো. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান, হাউজ টিউটর মোহাম্মদ ওমর ফারুক ও গোলাম মাহমুদ পাভেলের থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেন। পরদিন, ৭ মে তাদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৪ মে চারজনকেই সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তবে ১৮ মে ‘সাউথ এশিয়ান এপিগ্রাফি’ কোর্সের সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নেন শাকিল খান। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, বহিষ্কৃত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থী অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন না।
এ বিষয়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন বলেন, আগে আমরা চিঠি পাই নাই। আজকে চিঠি আসছে। ১৪ তারিখ থেকে যেহেতু সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা। তাই সে পরীক্ষা দিলেও নিয়ম অনুযায়ী তা বাতিল হবে।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম বলেন, “প্রতিটি বিভাগে ১৪ মে থেকেই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।”