বাংলাদেশবেলা
প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ

বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী নোমানের মৃত্যু, জানাজা সম্পন্ন

লেখক: বাংলাদেশবেলা ডেস্ক

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবদুল্লাহ আল নোমানের ব্যক্তিগত সহকারী নুরুল আজিম হিরু।

তিনি বলেন, ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন আবদুল্লাহ আল নোমান। পরে দ্রুত স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আবদুল্লাহ আল নোমানের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা পড়ান সংসদ সচিবালয়ে মসজিদের ইমাম।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহে প্রথমে সংসদ সচিবালয়ে পক্ষে থেকে ফুলের শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর বিএনপির চেয়ারপার্সন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপির পক্ষে থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন প্রমুখ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানান, বিকালে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ চট্টগ্রামে নেওয়া হবে। সেখানে আগামী শুক্রবার বাদ জুমা জানাজা শেষে দাফন করা হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে ধানমণ্ডি নিজ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে সকাল ৬টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বিএনপির পক্ষে থেকে জানানো হয়েছে, মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা বাদ আসর নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হবে। নামাজে জানাজায় সর্বস্তরের জনগণসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

আবদুল্লাহ আল নোমান ১৯৯১ সালে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি এলাকা থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ষাটের দশকের শুরুতে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে নোমান যোগ দেন ছাত্র ইউনিয়নে। মেননপন্থি ছাত্র ইউনিয়নের চট্টগ্রাম মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক, বৃহত্তর চট্টগ্রামের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

ছাত্রজীবন শেষে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর হাত ধরে যোগ দেন শ্রমিক রাজনীতিতে। পূর্ববাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ছিলেন। গোপনে ভাসানীপন্থি ন্যাপের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত হন। ১৯৭০ সালে তাকে ন্যাপের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। যুদ্ধ শেষে আবারও ন্যাপের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকেন। জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠনের পর ১৯৮১ সালে যোগ দেন দলটিতে।

সম্পাদক: মো: জামিরুল ইসলাম

প্রকাশক: রেজাউল করিম শামীম

QR Code

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

আপনার মোবাইল দিয়ে এই QR কোডটি স্ক্যান করে বিস্তারিত খবরটি অনলাইনে পড়ুন।

https://www.bangladeshbela.com/2025/02/25/politics/newsid-3339/

© বাংলাদেশবেলা | প্রিন্ট/ডাউনলোড: ২৫-০৮-২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ