বাংলাদেশবেলা
প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০২:৩৮ অপরাহ্ণ

ভালোবাসা দিবসে শিমুলবাগান পর্যটকদের পদভারে মুখরিত

লেখক: সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

নতুন বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ঋতুরাজ বসন্ত ও ভালোবাসা দিবস আজ। একই সঙ্গে ঋতুরাজ বসন্ত শুরু হওয়া ও ভালোবাসা দিবসের তারিখ একদিনে হওয়ায় হাওর বেষ্টিত ভাটির জনপদ ও পর্যটন সমৃদ্ধ জেলা সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের মানিগাওয়ে (ইলমপুর) উপজেলার বাদাঘাট উত্তর ইউনিয়নের প্রয়াত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন শিমূলবাগান পর্যটকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছিল।

শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত (১৪ই ফেব্রুয়ারী) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজারো আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা, প্রেমিক যুগল, পরিবার-পরিজন বন্ধুবান্ধব নিয়ে ভালোবাসা দিবস ও বসন্ত বরণে মেতে উঠেছিল শিমুল বনে।

রাজধানী ঢাকা থেকে আসা পর্যটক সামিউল হক সৌরভ বলেন, প্রতি বছরই ভালোবাসা দিবস ও বসন্ত এলে রক্তরাঙা শিমুলবাগানে বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে আসি। দূর থেকে বাগানটি দেখলে মনে হয়, সারি সারি শিমুলের বনে যেনো ফাগুনের আগুন জ্বলছে। সত্যিই অসাধারণ বাগানটি দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়।

নেত্রকোনা থেকে আসা প্রকৃতিপ্রেমী কাজী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বাগানটির ডানে, বামে, আড়াআড়ি যেদিকেই তাকাই কোনো আঁকাবাকা নেই। সারি সারি শিমুলের শাখায় শাখায় রক্তরাঙা শিমুলফুল যেনো চারিদিকে রক্তিম আভা ছড়িয়ে সকলের মাঝে ভালোবাসা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

সুনামগঞ্জ থেকে স্বপরিবারে বেড়াতে আসা উন্নয়নকর্মী পলাশ চিসিমের স্ত্রী রেনুকা রিছিল বলেন, প্রতি বছরই ভালোবাসা দিবস ও বসন্ত উপভোগ করতে এই বাগানে আসি। বাগানটি দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। মনে হয় কোনো নিপুণ কারিগর তার সুনিপুণ হাতে সারি সারি শিমুলের গাছ রোপণ করে গিয়েছেন। আজ এতো বছর পরও তার সৃষ্টির মাঝে তিনি বেঁচে রয়েছেন।

প্রয়াত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীনের জৈষ্ঠ্য ছেলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক রাখাব উদ্দিন জানিয়েছে, আমার প্রয়াত বাবা ২০০৩ সালে শখের বসে প্রায় ১০০ বিঘা জমির উপর তিন হাজার শিমুল গাছ এবং ৫ শতাধিক লেবু গাছ লাগিয়েছিলেন। সময়ের ব্যবধানে বাবার হাতে গড়া শিমুলবাগানটিতে বর্তমানে প্রতি বছর ভালোবাসা দিবস ও বসন্ত বরণে দেশ/বিদেশের হাজারো প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয়।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসেম জানিয়েছেন, সরকারি অর্থায়নে বাগানে একটি অত্যাধুনিক কটেজ, ওয়াশরুম এবং বাগানের ভিতরে অনেকগুলো দৃষ্টিনন্দন বেঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে।

সম্পাদক: মো: জামিরুল ইসলাম

প্রকাশক: রেজাউল করিম শামীম

QR Code

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

আপনার মোবাইল দিয়ে এই QR কোডটি স্ক্যান করে বিস্তারিত খবরটি অনলাইনে পড়ুন।

https://www.bangladeshbela.com/2025/02/14/bangladesh/newsid-2402/

© বাংলাদেশবেলা | প্রিন্ট/ডাউনলোড: ০৯-০৫-২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ণ