নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার সহকারী কমিশনার(ভূমি) আশরাফুল ইসলামের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ ও সহযোগীতায় প্রাণ রক্ষা পেয়ে বেঁচে গেল অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে সেতু। শুক্রবার (১ আগস্ট ) সকালে পাবনার ঈশ্বরদীর রুপপুর স্বামীর বাড়ি থেকে বড়াইগ্রামের বাবার বাড়ির উদ্দেশ্য নিরাপদ পরিবহনে রওনা হয় অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে সেতু।
বাসের মধ্যে হঠাৎ মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যায়। সেতুর পাশের সিটে বসা ছিল বড়াইগ্রামের সহকারি কমিশনার ভূমি আসরাফুল ইসলামের মামা, বিষয়টি মোবাইল ফোনে এসিল্যান্ডকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ এসআই শরিফুল ইসলামকে অবহিত করেন এবং মেয়েটিকে উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন এসিল্যান্ড ।
এএসআই শরিফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স সহ বনপাড়া বাইপাসে বাসটি এলে মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় আমেনা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরবর্তীতে মেয়েটির মুঠোফোন হতে পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে মেয়েটিকে তাদের জিম্মায় নেয়।
উদ্ধারকৃত মেয়েটির নাম সেতু (২০), সে বড়াইগ্রাম কালিকাপুর গ্রামের মনসুর বেপারীর মেয়ে। তার শ্বশুরবাড়ি ঈশ্বরদীর রূপপুর।
আমেনা হাসপাতালের চিকিৎসক জানান মেয়েটি অন্তঃসত্ত্ব হওয়ায় এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যায়, আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। তেমন কোন জটিল বিষয় নয়। চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসিল্যান্ডের এমন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও সহযোগিতায় আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন সহ ভুয়সী প্রশংসা করেছেন পরিবারের লোকজন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ এলাকার লোকজন ।